• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Speaker

রাজ্য

দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ, শুভেন্দুর তোপ

রাজ্যপালকে শপথের জন্য প্রয়োজন পড়ল না। অবশেষে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকার। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় উপনির্বাচনে জয়ী দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করান বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। তবে এদিন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নন, দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করাতে দেখা গিয়েছে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আশিসবাবু জানিয়েছিলেন তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাবেন না। মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা এবং কলকাতা লাগোয়া বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হন রেয়াত হোসেন সরকার এবং সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয়ের পরেও বেশ কিছুদিন তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়নি। বহু বিতর্কের শেষে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে।ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকার এবং বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, অধ্যক্ষ বিধানসভায় হাজির থাকতে তিনি শপথ গ্রহণের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তিনি নিজেই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুই বিধায়ককে শপথ গ্রহণ করানোর জন্য আবেদন করেন।রাজ্য বিধানসভায় দুই তৃণমূলের বিধায়কের শপথ গ্রহণের সময় জয় বাংলা স্লোগান তুলতে দেখা যায় তৃণমূলের বিধায়কদের। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধানসভার অধিবেশন চালু রয়েছে। তাই বিধায়কদের শপথ গ্রহণের ব্যাপারে চিঠিতে যে নির্দেশ রাজ্যপাল দিয়েছিলেন তা এদিন মান্যতা পায়নি। বিধানসভার রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনে তিনি জয়ী বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। যদি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই শপথ অনুষ্ঠানকে বেআইনি বলে দাবি করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বাবুল শপথ নিলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না, রাজ্যপালকে খোঁচা ডেপুটি স্পিকারের

বিধায়ক পদে শপথ নিলেন বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তবে বিধায়ক পদে শপথ নিলেও শপথগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। শপথ বাক্য পাঠ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না। রাজ্যপাল বিভেদ চাইছনে বলে ডেপুটি স্পিকার দাবি করেছেন।প্রায় ১ মাস হতে চলল বাবুল সুপ্রিয় বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে জয় পেয়েছেন। কিন্তু তাঁর শপথগ্রহণ নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। প্রথমে শপথের ফাইলে সই না করেই ফেরত পাঠিয়ে দেন রাজ্যপাল। বিতর্ক বাড়লে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন শপথবাক্য পাঠ করাবেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বাবুলকে শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাননি। ফের বিতর্ক শুরু হয়। শেষমেষ এদিন শপথ বাক্য পাঠ করান তিনি। যদিও শপথ অনুষ্ঠানের সময় বিধানসভায় নিজের ঘরে বসেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিকে ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শপথ বাক্য পাঠ করাতে চাইনি। রাজ্যপাল আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইছেন। অর্থাৎ বাবুলরে বিধায়ক পদে শপথ হওয়ার পরও বিতর্ক কিন্তু পিছু ছাড়ল না।

মে ১১, ২০২২
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আনা স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন স্পিকার

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। চার বিধায়ক বুধবার আলাদা আলাদাভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আয়কর হানার বন্দোবস্ত করার হুমকি দিয়েছেন শুভেন্দু। দিয়েছেন খুনের হুমকিও। বৃহস্পতিবার অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার জানিয়ে দেন, বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ তাঁর কাছে জমা পড়েছে। স্বাধিকারভঙ্গের প্রস্তাবটি তিনি গ্রহণ করেছেন। শুভেন্দু অবশ্য বুধবারই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা চার বিধায়ক হলেন বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, বড়জোড়ার তন্ময় ঘোষ, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী এবং কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায়। এঁরা চারজনই বিজেপি-র টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে জেতেন। কিন্তু পরবর্তীতে তৃণমূলের কাছাকাছিই তাঁরা থাকছেন। ওই চার বিধায়ক দাবি করেছিলেন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীন বারবার বাধা দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা। এর প্রতিবাদ করেছিলেন তাঁরা। বাকবিতণ্ডা চলে। পরে শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। চার বিধায়কদের অভিযোগ, অধিবেশন ছাড়ার সময় বিরোধী দলনেতা তাঁদের উদ্দেশ্য করে বলে যান তোমাদের আয়করের নোটিস পাঠানোর বন্দোবস্ত করছি। এর পর মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ।দুই বিধায়কের এই অভিযোগ নিয়ে তখনই উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্পিকার। স্পিকার বলেন, অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর, সদস্যদের নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যবস্থা নিচ্ছি। কড়া প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রীও। মমতা বলেন, তাহলেই বুঝুন কে আয়কর দপ্তর চালায়, কেই বা চালায় সিবিআই। মুখ্যমন্ত্রীই ইঙ্গিত দেন শুভেন্দুর বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনা উচিত। পরে চার বিধায়ক বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিস দিয়েছেন। বাগদার বিশ্বজিৎ দাস, রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যাণী, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ ও কালিয়াগঞ্জের সৌমেন রায় ওই নোটিসে সই করেছেন।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী ও স্পিকারের আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়, বললেন সুকান্ত

এই রাজ্যের সরকার বিরোধীদের কণ্ঠশ্বরকে হত্যা করতে চাইছে। তাই সাসপেণ্ড করা হয়েছে দুই বিজেপি বিধায়ককে। আমরা তো ভোবেছিলাম বিজেপির সব বিধায়ককেই বরখাস্ত করবে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে স্পিকারের দুই বিজেপি বিধায়ককে সাসপেণ্ড করা নিয়ে বুধবার বর্ধমানে এসে এই ভাবেই ক্ষোভ ব্যক্ত করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এমনকি বর্ধমানের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বসে সুকান্ত বাবু রাজ্য সরকার ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও এদিন তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।তিনি বলেন,শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয়।রাজ্যপালের তলব পেয়েও বিধানসভার স্পিকারের তাঁর কাছে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও এদিন সরব হন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।সুকান্ত বাবু এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যপালের তলব পেয়েও স্পিকারের না যাওয়াটা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত অশোভনীয়। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।শুধু স্পীকার নয়, রাজ্যপালের প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আচরণও অত্যন্ত অশোভনীয় বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন উনি (মুখ্যমন্ত্রী) বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহামান্য রাজ্যপালের সাথে এই ধরনের আচরণ করেননি।রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে সুকান্ত মজুমদার এও বলেন, রাজ্য সরকার চলছে কেন্দ্রের টাকায়।অথচ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুই মিথ্যা কথা বলেন।জয়প্রকাশ মজুমদার তৃণমূলে যোগদান সম্পর্কে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, আমরা ওনাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিলাম। তৃণমূল তাঁকেই সেই পদেই বহাল করেছে। এর থেকেই বোঝা যায় এই রাজ্যে বিজেপির ভাল দম আছে। তাই বিজেপির রিজেক্টেড নেতারাও তৃণমূলে গিয়ে একই পদ পাচ্ছেন। পাশাপাশি সুকান্ত বাবু দাবি করেন, বিজেপি কর্মীরাই বিজেপির সম্পদ। কারণ তাঁরা নরেন্দ্র মোদীকে দেখে দল করেন। বিজেপি বিধায়ক হিরনের বিভীষণ প্রসঙ্গ উত্থাপন সম্পর্কে সুকান্ত বাবু বলেন, আমার সঙ্গে হিরনের কথা হয়েছে। যা বলার ওকে পার্টির ভিতরে বলতে বলেছি। অন্য দল থেকে ভাঙিয়ে দল ভারি করার কথা বিজেপি ভাবছে না বলেও সুকান্ত বাবু এদিন জানান। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন ,কেউ বিজেপি দলে এলে তাঁকে বিজেপির মতাদর্শ মেনে নিয়েই আসতে হবে।

মার্চ ০৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালের বাজেট ভাষণে বাধা দেওয়ায় সাসপেন্ড বিজেপি-র দুই বিধায়ক

বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখানোর জের। বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামীকে চলতি বিধানসভা অধিবেশনে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিধানসভার কাজে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এদিনের অধিবেশনে বিধানসভায় শাস্তির প্রস্তাব আনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভায় তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। কার্যত ভাষণ না পাঠ করেই রাজ্যপাল বিধানসভা ছাড়েন। অভিযোগ, সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী সেদিন একেবারে সামনে থেকে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এদিন বিধানসভায় সাসপেনশনের প্রস্তাব নিয়ে আসেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সংক্ষিপ্ত অভিযোগ ছিল, ৭ তারিখ অধিবেশন কক্ষে কাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছিলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামী। এরপরই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে দুজনকে সাসপেন্ড করেন।বুধবার অধিবেশনেই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, নাটাবাড়ি বিধায়ক মিহির গোস্বামী ও পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে এই অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হচ্ছে। ফলে বাজেট অধিবেশনে তাঁরা আর অংশ নিতে পারবেন না। বিধানসভায় বুধবার এই প্রস্তাব আনেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। স্পিকার তা গ্রহণ করার পর তা ধ্বনিভোটে পাশ হয়। পার্থ বলেন,ওইদিন বিজেপি বিধায়করা অসংসদীয় আচরণ করেছেন। তাই তাঁদের সাসপেনশনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, ৭ তারিখে বাজেট বক্তৃতা করতে বিধানসভায় আসেন রাজ্যপাল। পুরভোটে শাসকদলের সন্ত্রাসের অভিযোগে তাঁর বক্তৃতা শুরুর আগে থেকেই বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। একসময় বাজেট বক্তৃতা না করেই ফিরে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল। এই ঘটনায় পাল্টা বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূল বিধায়করা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের কাছে বাজেট ভাষণের রীতিটুকু পালনের অনুরোধ জানান। দুপক্ষের হাঙ্গামার পর প্রায় এক ঘণ্টা পর রাজ্যপাল বাজেট ভাষণ সংক্ষিপ্ত ভাবেই শেষ করে রাজভবন চলে যান। তারপর থেকে পরস্পরের বিরুদ্ধে অধিবেশন পন্ড করার অভিযোগ করেছে তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষই।

মার্চ ০৯, ২০২২
কলকাতা

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা, বিজেপির বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল

বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা। আজ ছিল বাজেট অধিবেশনের শুরু। অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণের আগেই বিজেপির বিক্ষোভ। তুলকালাম বিধানসভায়। শেষমেশ ভাষণ পাঠই করতে পারলেন না রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সোমবার সকালে রাজ্যপালের ভাষণ পাঠের আগেই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পদ্ম বিধায়করা। পুরভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে স্পিকারের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল বিধায়করাও। তাঁরাও দিতে থাকেন পাল্টা স্লোগান। এরইমধ্যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যপালের বক্তব্য সকলের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। সেটাই টেবিল করা হবে বলে জানান স্পিকার। তখনই রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই বলেন, তিনি হতবাক হচ্ছেন। তিনি না বললে কীভাবে তাঁর ভাষণ টেবিল হতে পারে? প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের বক্তব্য, তিনি যতক্ষণ না বলছেন,. ততক্ষণ তাঁর বক্তব্য টেবিল করা যায় না। স্পিকার সেটি কীভাবে করতে পারলেন? রাজ্যপালের এ বক্তব্যের মাঝেই বিজেপি ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। টানা এক ঘণ্টা বিক্ষোভ চলে বিধানসভায়।বিধানসভা সোমবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল। রাজ্যপাল আগেও নেমে যেতে উদ্যত হয়েছিলেন। শাসকদলের মহিলা বিধায়করা কার্যত রাজ্যপালকে ঘিরে থাকেন বিধানসভায়। তাঁকে নামতে বাধা দেন তাঁরা।এদিকে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর বিরোধীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তা কাজ না হওয়ায় বক্তৃতা না দিয়েই বসে পড়েন রাজ্যপাল। বিজেপি বিধায়করা স্লোগান দিতে শুরু করেন, ভারত মাতা কী জয়, ছাপ্পা ভোটের সরকার আর নেই দরকার, মানুষ মারা সরকার আর নেই দরকার।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পরিস্থিতিতে তাঁর আসন ছেড়ে দিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে গিয়ে আলাদা করে বৈঠক করেন। ফিরে এসে রাজ্যপালকে অন্তত দুলাইন ভাষণ পাঠ করার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষোভ-অশান্তি-স্লোগানে ভাষণই শুরু করেন রাজ্যপাল। এরপর বেলা ৩.০৭ মিনিট নাগাদ বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে আসেন মুখ্যমন্ত্রীও। ভাষণ আর পড়তে পারলেন না রাজ্যপাল। কেবল ভাষণের প্রথম ও শেষ লাইন পড়েই নিয়ম রক্ষা করতে হল তাঁকে। আজকের ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকী স্পিকারও বলেন, এমন ঘটনা বিধানসভায় আগে ঘটেনি।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

মুকুল রায় বিজেপিরই বিধায়ক! জানিয়ে দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ

মুকুল রায় দলত্যাগ করেননি। দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে শুক্রবার মুকুল রায়ের দলত্যাগ মামলায় সিদ্ধান্ত জানালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। কোনও দলত্যাগ হয়নি বলেই এদিন জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মুকুল রায়ের দলত্যাগ করেছেন, এমন কোনও প্রমাণ তাঁর হাতে আসেনি। এই দলত্যাগ নিয়ে বারবার বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হলেও, এর সপক্ষে তেমন কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি অভিযোগকারীরা।অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। অর্থাৎ বিজেপির টিকিটে জয়ী মুকুল রায় যে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন এর কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই এই মামলা তিনি খারিজ করে দিচ্ছেন।মুকুল রায় এক দল ছেড়ে অন্য দলে গিয়েছেন, তার প্রমাণ দিতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী। শুভেন্দু অধিকারীর একটি ৬৪ পাতার পিটিশন দাখিল ঘিরেই এই মামলার শুরু। গত ১১ জুন এই পিটিশন দেন তিনি। এর পর ১২টি শুনানি হয় এই নিয়ে।কিন্তু মুকুল রায়ের আইনজীবীরা শুনানি পর্বে বারবার দাবি করেন, কোনও দলত্যাগ ঘটেনি। সে সময় মুকুল রায়ের কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল। সে কারণেই অন্য একটি রাজনৈতিক দলের দফতরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তা সৌজন্যের কারণে গিয়েছিলেন। কোনও পতাকা তিনি হাতে নেননি।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

মুকুল-সিদ্ধান্ত দু’সপ্তাহেই নিতে হবে স্পিকারকে: সুপ্রিম কোর্ট

দুসপ্তাহের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি করবেন। সোমবার এমনটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারির মধ্যে এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা আগেই স্পিকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু এখনও এই মামলার কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। সোমবার ফের সুপ্রিম কোর্টে মুকুল রায়ের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল।প্রসঙ্গত, গত ১৪ জানুয়ারি বিধানসভায় মুকুল রায়ের দলত্যাগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেদিন শুনানি চলাকালীন সমস্ত বিষয় বিধানসভা কর্তৃপক্ষ রেকর্ড করে। তবে সেই একই যুক্তি সামনে আনছেন মুকুল রায়ের আইনজীবী। মুকুল অন্য রাজনৈতিক দলের মঞ্চে সৌজন্যের খাতিরে গিয়েছিলেন। তিনি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি। মুকুল বিজেপিতেই আছেন। বিজেপিও মুকুল রায়কে সাসপেন্ড করেননি। অর্থাৎ বিষয়টির সারমর্ম, মুকুল রায় কোনওদিনও তৃণমূলে যোগই দেননি। সেক্ষেত্রে তাঁর দল পরিবর্তনের কোনও প্রশ্নই আসছে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

Mukul Roy-Supreme Court: মুকুল রায়কে নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে যা সিদ্ধান্ত তা বিধানসভার অধ্যক্ষকেই নিতে হবে। সোমবার এমনই ইঙ্গিত দিল সুপ্রিম কোর্ট। অধ্যক্ষ দ্রুত যাতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, সে কথাই বলা হয়েছে। ২০২২ সালের জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে ফের এই মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ সংক্রান্ত এক মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল। এদিন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে বিচারপতি নাগেশ্বর রাও ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে জানান, আগামী ২১ ডিসেম্বর মুকুল রায়ের সদস্যপদ খারিজের আর্জি নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে শুনানি রয়েছে।Justice triumphs again....historic observation by Honble Supreme Court of India leaves no discretion to the Honble Speaker to delay Mukul Roys defection proceedings. First time since 2011 when a defection petition will be finally decided in West Bengal. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) November 22, 2021আগামী জানুয়ারিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি। তার আগে ২১ ডিসেম্বর এই বিষয়ে অধ্যক্ষ পদক্ষেপ করবেন বলেই আশা করছে সুপ্রিম-আদালত। আইনের পথে হেঁটেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে আমরা স্বাগত জানাই। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলেছেন উনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে খুব মানেন। আশা করব মুখে ও কাজে একইরকম হবে। উনি বা ওনার পার্টি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বিধানসভার অধ্যক্ষ, যাঁর নিরপেক্ষ থাকার কথা কিন্তু থাকেন না, তাঁর কাজে মুখ্যমন্ত্রীর কথার প্রমাণ থাকবে। অন্যদিকে টুইটারে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণ। আবারও আইনের জয়।অন্যদিকে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যদি সুপ্রিম কোর্টের কোনও নির্দেশিকা থাকে তা আমরা নিশ্চয়ই মেনে চলব। এটা তো খুব স্বাভাবিক কথা। আইনের বিচার প্রক্রিয়াকে আমরা সব সময় মর্যাদা দিই। সম্মান করি। নতুন করে বলার কিছু নেই। যে পিটিশনটা ফাইল হয়েছে ওর (মুকুল রায়) সদস্যপদ খারিজ করার জন্য, সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছি।

নভেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Babul Supriyo: অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুল

সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। ইস্তফাপত্র জমা দিতে মঙ্গলবার সকালে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্তফা দেন বাবুল। মঙ্গলবার বাবুল যে ইস্তফা দেবেন এ কথাজানিয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাবাবুল জানান, সাংসদ পদ ধরে রাখাটা অনৈতিক মনে হয়েছিল বলেই ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাবুল। এ দিন ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি একদিকে যেমন আসানসোলের প্রতি তাঁর আবেগের কথা ব্যক্ত করেন, অন্যদিকে শিশির অধিকারীর সাংসদ পদ নিয়ে খোঁচা দেন শুভেন্দু অধিকারীকে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পরই সংসদ পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়ে ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। এ জন্য গত মাসের শেষের দিকে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ব্যস্ত থাকায় তাঁর সময় পাননি বাবুল। তিনি দু বার চেষ্টা করেও স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে দাবি করেন বাবুল। অন্যদিকে লোকসভার একটি সূত্র থেকে জানা যায়, আবেদনই করা হয়নি। আজ অবশেষে ইস্তফা দিলেন তিনি।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Babul Supriyo: মঙ্গলেই ইস্তফা বাবুলের

প্রায় এক মাস পর স্পিকার ওম বিড়লার কাছ থেকে সময় পেলেন বাবুল সুপ্রিয়। মঙ্গলবারই স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন তিনি।তৃণমূলে যোগ দিয়েই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। কিন্তু প্রায় এক মাস কেটে গিয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছ থেকে সময় পাচ্ছিলেন না। সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারছিলেন না তিনি। এই নিয়ে অভিযোগ করে টুইটও করেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও লোকসভার সূত্র উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছিল, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে যোগাযোগ করেননি বাবুল।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পরই সংসদ পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়ে ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। এ জন্য গত মাসের শেষের দিকে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ব্যস্ত থাকায় তাঁর সময় পাননি বাবুল। তিনি দুবার চেষ্টা করেও স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে দাবি বাবুলের। এই প্রেক্ষিতে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি টুইটে স্পিকারকে দেওয়া তাঁর চিঠি তুলে ধরেন বাবুল।এ নিয়ে বাবুল বলেন, আমরা বলতে পারি না কেন স্ট্যাম্পটি নেই। তবে আমি আপনাকে বলতে চাই যে মাননীয় স্পিকারের উচ্চ পদে থাকা কাউকে স্ট্যাম্প লাগানোর জন্য অনুরোধ করাও সৌজন্যপূর্ণ নয়। যখন কেউ সেখানে স্বাক্ষর তারিখ, সময়, স্থান এবং পিএল নম্বর উল্লেখ করে চিঠিটি পাচ্ছেন।লোকসভার স্পিকারকে পাঠানো চিঠিটি টুইটারে তুলে দিয়ে বাবুল জানিয়েছিলেন, স্পিকারের তরফে সময় মেলেনি বলেই এখনও সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেননি।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy-PAC: মুকুলের পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে স্পিকারকে সিদ্ধান্তের সময়সীমা দিল হাইকোর্ট

বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায় বহাল থাকবেন কি না, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বিধানসভার স্পিকারকে নিতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকারকে ওই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ করবে কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই রায় দিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, গত ২৪ অগস্ট এই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানতে চান, পিএসি চেয়ারম্যান হতে কি কোনও রাজনৈতিক ছাড়পত্র লাগে? তিনি এও জানতে চান, পিএসি-র চেয়ারম্যান কি বিরোধী দল থেকে করাটাই নিয়ম? সরকার ও মামলাকারীর আইনজীবী উভয় পক্ষের কাছেই এ বিষয়ে মতামত চেয়েছিলেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুর উপনির্বাচন: নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা হাইকোর্টেরপিএসি-র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। দলত্যাগী বিধায়ক মুকুলের চেয়ারম্যান হওয়া নিয়ে আপত্তি রয়েছে বিজেপি-র। রাজ্য বিজেপি-র নেতারা ওই পদ থেকে মুকুলের অপসারণ চাইছেন। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। বিজেপি-র অভিযোগ, পিএসি-র চেয়ারম্যান পদে মুকুলকে নিয়োগ করতে গিয়ে বিধানসভার কার্যবিধির ৩০২ ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এ রাজ্যে আগে এমন নজির নেই। বিরোধী দলের বিধায়ক অম্বিকার দাবি, পিএসি-র শীর্ষ পদে দলত্যাগী মুকুলের নিয়োগ অবৈধ। প্রথা অনুযায়ী, ওই পদ বিরোধী দলের প্রাপ্য। বিজেপি কোনওভাবেই তাঁর নাম পিএসি সদস্যদের তালিকায় রাখেনি, এই তথ্যই আদালতের আবেদনে তুলে ধরেছেন বিজেপি বিধায়ক।কিন্তু মুকুলের বিষয়টি নিয়ে বিধানসভার স্পিকারকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে হাইকোর্ট। এ ব্যাপারে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় কী সিদ্ধান্ত নেন সে দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Speaker: বিধানসভায় আদালতের হস্তক্ষেপ নিয়ে সরব স্পিকার, পাল্টা বিজেপির

বিধানসভার এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করছে আদালত। শুধু আদালতই নয়, দেশের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা থেকে শুরু করে রাজ্যপাল পর্যন্ত বিধানসভার কাজে নাক গলাচ্ছেন বলে স্পিকারদের এক সর্বভারতীয় সম্মেলনে সরব হলেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, গত ১০ বছরের বেশি সময়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের নেতা হয়েই রয়ে গিয়েছেন। পরিষদীয় ব্যবস্থাকে তামাশায় পরিণত করেছেন।আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সময়জ্ঞানের পাঠ দিলেন মোদিগত জুন মাসে এরকমই এক সম্মেলনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে সরব হন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপালের আচরণ নিয়ে তিনি সেবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছেও অভিযোগ করেন। মে মাসে বিধানসভা চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় থাকা কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এরপরই স্পিকার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বিধানসভায় ঢুকতে পারবে না। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল, এমনটাই সূত্রের খবর।স্পিকারদের সম্মেলনে রোল অব লেজিসলেটর অ্যান্ড মিনিংফুল ডেমোক্রেসি শীর্ষক একটি বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এদিন বিমানবাবু বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা বিধানসভার স্পিকারকে না জানিয়ে কাজ করছে। কোনও সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও পদক্ষেপ নিতে চাইলে সংসদের অনুমতি লাগে। বিধায়কদের ক্ষেত্রে তা করা হচ্ছে না। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা হলে তা বিধানসভাতেই সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু আমাকে না জানিয়ে আদালতে চলে যাওয়া হচ্ছে। আদালতও সেইসব অভিযোগ গ্রহণ করছে। খোদ রাজ্যপাল বিভিন্নভাবে বিধানসভার এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করছেন। ফলে বিধানসভার কাজে হস্তক্ষেপ হচ্ছে বিভিন্নভাবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: সময় চেয়ে শিশিরের পথেই হাঁটলেন মুকুল

দলত্যাগ বিরোধী আইন নিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যেই জবাব চেয়ে পাঠানো হয়েছিল মুকুল রায়ের কাছে। সোমবার রাতেই তিনি চিঠি দিয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য এক মাস সময় চেয়ে নিয়েছেন। শিশির অধিকারীর পথেই এ বার উত্তর দিতে এক মাস সময় চাইলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় গত ১১ জুন তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৬৪ পাতার একটি আবেদন জমা দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শুরু করেছেন অধ্যক্ষ। ইতিমধ্যেই দুটি শুনানিও হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কশুনানিতে স্থির হয়, ১৭ অগস্টের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে হবে মুকুলকে। সে ক্ষেত্রে ফুল বদলানো মুকুল সশরীরে বিধায়সভায় এসে তাঁর বক্তব্য রাখতে পারেন কিংবা চিঠি পাঠিয়েও বক্তব্য জানাতে পারেন। কিন্তু দুটির কোনওটাই করেননি মুকুল। অভিযোগের জবাব দিতে এক মাস সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি।একইভাবে গত কয়েকদিন আগে শিশির অধিকারীও এরকমই একটি সিদ্ধান্ত নেন। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি পাঠিয়ে সময় চেয়ে নিয়েছেন সাংসদ তথা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপিতে যোগদানের অভিযোগ করেছে তৃণমূল। তা নিয়ে তৃণমূল শিবির লোকসভার অধ্যক্ষকে একটি চিঠিও দিয়েছিল। তার প্রেক্ষিতেই কাঁথির সাংসদের জবাব চেয়েছিল লোকসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাঁর বক্তব্য জানানোর জন্য এক মাস সময় চেয়ে নেন শিশির। এবার সেই একই পথে হাঁটলেন মুকুল রায়ও।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Sisir Adhikari: স্পিকারের চিঠির উত্তরে কী বললেন শিশির?

তাঁর সাংসদপদ খারিজের আবেদন জানিয়েছিল তৃণমূল।তারই প্রেক্ষিতে স্পিকার শিশিরকে অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেছিলেন। লোকসভার স্পিকারের কাছে চার সপ্তাহ সময় চাইলেন শিশির অধিকারী। মঙ্গলবার একটি চিঠি মারফৎ তিনি এই আবেদন জানিয়েছেন। সেই চিঠির উত্তরেই শিশির সময় চেয়ে নিলেন।শিশিরের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানাচ্ছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি সময় চেয়েছেন ওম বিড়লার কাছে।অসুস্থ থাকায় এখনই দিল্লি যেতে পারছেন না তিনি। তাই তাঁকে একমাস সময় দেওয়া হোক। প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর অসুস্থতার কারণে আর তাঁকে খুব বেশি বাইরে দেখা যায়নি। এমনকী, যেতে পারেননি সংসদের অধিবেশনেও। সূত্রের খবর, অসুস্থতার কারণেই যে তাঁর দিল্লিতে সংসদের অধিবেশনেও যোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাও চিঠিতে স্পিকারকে জানিয়েছেন কাঁথির সাংসদ।আরও পড়ুনঃ রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে? ধোঁয়াশা রাখলেন কোহলিউল্লেখ্য, তৃণমূল সংসদীয় দলের পক্ষে জানুয়ারি মাসেই বিজেপি-তে যোগ দেওয়া বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের পদ খারিজের দাবি জানানো হয়। কারণ, গত বছর ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরের সভায় অমিত শাহের উপস্থিতিতে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন। চলতি বছর ২৩ মার্চ এগরার বিজেপি-র প্রচার সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বক্তৃতা করেন কাঁথির সাংসদ শিশির। ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর ১৭ মে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে সুনীল-শিশিরের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানায় তৃণমূল।

আগস্ট ০৩, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালের

বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য উদ্যোগী হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মূলত ধনখড়ের উদ্যোগেই এই সাক্ষাৎ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ তাঁদের দুজনের দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার সকালে এ বিষয়ে টুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার শ্রী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার রাজভবনে বিকেল চারটের সময় দেখা করবেন রাজ্যপাল শ্রী জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে। রাজ্যপালের উদ্যোগেই এই সক্ষাৎ হতে চলেছে। হঠাৎ করে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন কেন রাজ্যপাল, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।West Bengal Legislative Assembly Speaker Shri Biman Banerjee will call on Governor West Bengal Shri Jagdeep Dhankhar at Raj Bhawan Kolkata today at 4 PM.Scheduled interaction is at the initiative of Governor. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) July 23, 2021উল্লেখ্য, স্পিকারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত জুনে সরাসরি তাঁকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল পদের অপমান করেছেন স্পিকার। শুধু তাই নয়, বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে তাঁর ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হল কেন, স্পিকারকে চিঠিতে সে কথাও উল্লেখ করেছিলেন রাজ্যপাল। তখন তিনি বলেছিলেন, বিধানসভায় আমার ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। যা জরুরি অবস্থার সামিল। রাজ্যপালের সঙ্গে স্পিকারের স্ংঘাত-এর যে আবহ তৈরি হয়েছিল, তার পর শুক্রবার হঠাৎ করে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
কলকাতা

Mukul Roy: মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যান

শুক্রবার মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটা ঘোষণা হতেই বিধানসভায় হট্টগোল শুরু করে বিজেপি। তার পর বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের বিধায়করা। আরও পড়ুনঃ বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রামসাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিরোধী দলের তরফে পিএসি চেয়ারম্যান হন। সেই ঐতিহ্যকে ভাঙলেন অধ্যক্ষ মহোদয়। ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও সদস্য বা সদস্যা মুকুল রায়ের নাম প্রস্তাব করেনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর উপস্থিতিতে গলায় উত্তরীয় পড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অডিয়ো-ভিডিয়ো সবাই দেখেছেন। আমাদের অশোক লাহিড়ীর নাম পাঠিয়েছিলেন মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা। সেটা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কারণ সরকার চায় খরচ আমরা করব, হিসাব আমরা দেখব। এই সরকার ২০১৭ সাল থেকে ক্যাগের অডিট করেনি। ২০১২-১৩ সাল থেকে জিটিএ-র অডিট করেনি। খেলা-মেলায় টাকা খরচে বিরোধীরা বাধা না হতে পারে তাই এই সিদ্ধান্ত। অশোক লাহিড়ীর মতো ভোটে জিতে আসা সম্মানীয় অর্থনীতিবিদ ভুল গুলি যাতে ধরতে না পারেন, তাই মুকুল রায়কে মনোনীত করল।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Assembly: বিধানসভার স্পিকারকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর

বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করায় তুমুল হট্টগোল বিধানসভায়। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর জবাবি ভাষণ দেন বিধায়করা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন শুরু করতেই বিরোধী দলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনার কথা বলা হয়। যদিও অধ্যক্ষ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। রাজ্যপালের ভাষণের পর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই বিধানসভার ভিতরে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ শুরু হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন দলদাস স্পিকার আগে দেখিনি। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসারবিধানসভার অধিবেশনের বয়কট করার পর স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন। তাঁর দল জিতেছে। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছে। একথা বিধানসভায় বলা যাবে না! মমতার চোখে ইশারায় রে রে করে উঠলেন তৃণমূল বিধায়করা। শুভেন্দুর কথায়, আইনমন্ত্রী কানে কানে গিয়ে বলল। তারপর স্পিকার বলছে, বিষয়টি সাব জুডিস। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তীকালীন রায় নেই। প্রশ্ন তুললেন, তাহলে আমি এখানে থাকব কেন? আমাকে বের করে দিন।বিরোধী দলনেতার আরও বক্তব্য, বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের হইচই, আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা বিজেপি বিধায়কের আছে। তাহলে ওয়াকআউট কেন? শুভেন্দুর সাফ কথা, স্পিকার বিরোধীদের সংরক্ষণ দেবেন, আইন মেনে চলবেন। তাঁর শাসকদলের প্রতি, যে দলের প্রতীকে জিতেছেন, সেই দলের প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেকারণেই আমরা বিধানসভা বয়কট করলাম। আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই, বিধানসভায়ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

PAC-Mukul: পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের

বিজেপি-র দাবি খারিজ করে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-তে মুকুল রায়ের মনোনয়নকে বৈধতা দিল বিধানসভার সচিবালয়। বৃহস্পতিবার ছিল স্ক্রুটিনিপর্ব। মুকুলের মনোনয়নের বিরোধিতা করে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি-র পরিষদীয় দল। কিন্তু বিকেলে স্ক্রুটিনিপর্ব শেষে কমিটির ২০ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন বিধানসভার সচিব। ওই নামের তালিকায় ২০ জনের মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুলের নাম। একই সঙ্গে রয়েছে বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নামও। উপরন্তু এই চিঠির সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার। আরও পড়ুনঃ ডাক্তার ও নার্সদের জন্য অভিনব মাস্ক আবিস্কার করে সাড়া ফেলেছে বাংলার কিশোর বিজ্ঞানীবৃহস্পতিবারই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, নমিনেশন যে কেউ দিতে পারেন। যিনি জমা দিয়েছেন, মুকুল রায়, তিনি তো বিজেপি-র সদস্য। তাঁকে বিনয় তামাংরা সমর্থন করেছেন। ভোটাভুটি হলে হবে। দেখি কার কত ক্ষমতা। মানুষের কত ক্ষমতা দেখে নেবে বিজেপি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই কমিটির ২০ সদস্যের নাম ঘোষণা করে বিধানসভা। ২০ জনের এই তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপি একটি চিঠি দেয় স্পিকারকে। সেখানে বলা হয়েছিল, খাতায়কলমে মুকুল এখনও বিজেপি বিধায়ক হলেও দলের তরফে তাঁর নাম প্রস্তাব করা হয়নি। বরং পিএসি-তে মুকুলের নাম প্রস্তাব করেছেন কালিম্পঙের মোর্চা বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা। সহ প্রস্তাবক ছিলেন এগরার তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতি। মুকুল বিজেপি বিধায়ক হলেও, তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে বিরোধী শিবিরের বিধায়করা। তার পরেও মুকুলের মনোনয়ন কী ভাবে গৃহীত হল? স্পিকারকে চিঠি দিয়ে তা-ও জানতে চাওয়া হয়।বিজেপি-র তরফে ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। বুধবার মনোনয়ন স্ক্রুটিনির সময়েও মৌখিক ভাবে আপত্তি জানিয়েছিল বিজেপি-র বিধায়ক দল। তাতে কাজ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার লিখিত ভাবে মুকুলের মনোনয়ন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। চিঠির বয়ানে তাঁদের স্বাক্ষর থাকলেও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অম্বিকা বা বিষ্ণুপ্রসাদ। ওই চিঠিতে কৃষ্ণনগরের বিধায়কের মনোনয়ন বাতিলের জন্য রুল নম্বর ৩০২-এর উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবিই খারিজ করে ২০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

জুন ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal